আজ ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

কুড়িগ্রামে বন্যা
কুড়িগ্রামে বন্যা

কুড়িগ্রামে বন্যা নেমে গেলেও এক ইউনিয়নের ৫ শতাধিক পরিবার খোলা আকাশে

কুড়িগ্রাম থেকে-

কুড়িগ্রামে বন্যা নেমে গেলেও রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার একপ্রকার খোলা আকাশে দিনযাপন করছে।

বন্যা ও নদী ভাঙনের ক্ষত শুকিয়ে গেলেও করোনার কারণে শ্রমহীন এসব পরিবারের লোকজন অর্থনৈতিক কারণে বাড়িঘর মেরামত করতে না পেরে বিধস্ত ছাপড়ার মধ্যে রাত্রি যাপন করছে। ভাঙন কবলিত এই জনপদের পরিবারগুলির নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গুচ্ছগ্রাম বা আশ্রায়ন প্রকল্পের আবেদন জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ব্রহ্মপূত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন রৌমারী ও চর রাজিবপুর উপজেলা। চলতি বছরের বন্যা ও নদী ভাঙনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই দু’উপজেলায়। নদী পথে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা শ্যালো নৌকায় পাড়ি দিয়ে পৌছাতে হয় এই দুই উপজেলায়। চলতি বছরের বন্যা ও নদী ভাঙনে চর রাজিবপুর উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া, জিগাপাড়া, চর নেওয়াজি, নয়ারচর, পাটাদহ পাড়া, চড়–ইহাটি, নাওশালা ও বড়বেড়চরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ বাড়িঘর হারিয়ে এখন খোলা আকাশে দিনযাপন করছে।

বন্যার ফলে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙে গেছে। এছাড়াও সমতল এলাকায় তীব্র স্রোতে বাড়িঘর মাটিতে পরে গেছে। হাতে টাকা পয়সা না থাকায় অনেকে বাড়িঘর মেরামত করতে পারছে না। কেউ কেউ অধিক সুদে টাকা ধার নিয়ে বাড়ির কাজ করছে।

মো: আনোয়ার হোসেন, চেয়ারম্যান, মোহনগঞ্জ ইউনিয়ন, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম বলেন
আমার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নে ৪ থেকে ৫ শতাধিক পরিবার মানবেতরভাবে জীবন যাপন করছে। তাদের নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে কয়েকটি গুচ্ছগ্রাম নির্মানের দাবি জানিয়েছি।

মো: আকবর হোসেন হিরো, উপজেলা চেয়ারম্যান, চর রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম বলেন সরকারের কাছে গৃহহীনদের জন্য আবেদন করেছেন জানিয়ে বলেন, বৃত্তবানদেরও এগিয়ে আসা উচিৎ। এছাড়াও আশ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারকে পুণর্বাসনের আহবান জানিয়েছি।

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap