আজ ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৮শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ

আমন ধান
আমন ধান

কুমারখালীতে আমন ধান চাষ ১৩,৭৭০ হেক্টর জমিতে : লক্ষ্যমাত্রা ৮৯,৯০৫ মেট্রিক টন

কুষ্টিয়া থেকে-

উপজেলায় আবহাওয়া কিছুটা অনুকুল থাকায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের চাষ ভালো হয়েছে। আবহাওয়ার কোনো ব্যাতিক্রম না ঘটলে ফলন ভালো হবে বলে তারা মনে করছেন। তবে ধান চাষে খরচ বেশী হাওয়ায় ধানের ন্যায্যা মূল্য আশা করেছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলায় ১৩হাজার ৭শ ৭০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। তবে কয়েক বার বন্যার কারণে ১০০ হেক্টর জমির ধান বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছিল। ফলে বন্যার পানি সরে গেলে আর সেগুলো জমির ধান ভালো থাকলে উৎপাদন ভালো হবে বলে  মনে করেন কৃষকেরা। তবে তুলনা মূলক ভাবে গত বছর থেকে এবারের ধান গাছের অবস্থা ভালো রয়েছে।

এ পর্যন্ত উপজেলার কোন এলাকার জমির ধান গাছে তেমন কোন প্রকার রোগ বালাই দেখা যায়নি। এবস্থা থাকরে এবারে উপজেলায় প্রায় ৮৯হাজার ৯শ ৫ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ববনা রয়েছে এবং উক্ত ধান থেকে ৫৯ হাজার ৬শ৭০ মেটিক টন চাউল অর্জিত হবে বলে আশা করেছে। উপজেলার যদুবয়রা গ্রামের কৃষক ফারুর হোসেন, কেশবপুর গ্রামের কৃষক আবু সায়েম, জোতমোড়া গ্রামের কৃষক জাহিদ হোসেন জানান, এবছর আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকার কারণে রোপনকৃত আমন ধান গাছ সুন্দর ও সতেজ রয়েছে।কিছু দিনের মধ্যে ধান শীর্ষ বের হবে। কিছু এলাকায় পোকা মাকড় থাকলেও বর্তমান অবস্থা সেগুলো আর নেই শেষ পর্যন্ত এবস্থা থাকলে ধানের ফলন ভালো হবে বলে তারা মনে করেছেন।

কুমারখালি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ দেবাশীষ কুমার দাস জানান, এ পর্যন্ত রোপনকৃত আমন ধানে কোন রোগ বালাই আক্রমণ করেছে বলে খবর পাওয়া যায়নি।
তবে কিছু এলাকায় থাকলেও আমরা সার্বক্ষণিক কৃষকদের সাথে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছি এছাড়াও তাড়া কৃষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।তবে আমিও বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি ধান গাছ ভালো রয়েছে। এরকম থাকলে ভালো ফলন হবে আর এতে আমরা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবো বলে আশা করছি।

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap