আজ ২১শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ৬ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

নিধানকালের বিধান আমাদের সংবিধান

মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু

 

শুধুতেই আমিও একটা ধাক্কা দিয়ে দৃষ্টিকোণ, দৃষ্টিভঙ্গি ও চেতনা আর প্রেরণার জগতের কলমের চাক্কা ঘুরাইতে চাই আর তা হলো- আমরা কিন্তু প্রজা নই আমরা রাষ্ট্রের মালিক, এটা সংবিধানের কথা কারণ জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস অর্থাৎ জনগণ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী তাহলে গণপ্রজাতন্ত্রী শব্দ দিয়ে আসলেই কি বুঝানো হয়েছে অথবা যা বুঝানো হয়েছে তার বাহিরেও কোনও অর্থ ইংগিত বহন করে কি-না, সেটা নিয়ে গবেষণা দরকার চিন্তা করা দরকার কারণ শব্দের প্রতিশব্দ আর অর্থের প্রতিঅর্থ যেন ভিন্ন ভিন্ন না হয়। প্রজা আর রাজা কে? প্রজাতন্ত্র শব্দের সঠিক ব্যাখ্যা চাই এবং সম্ভবতঃ প্রজাতন্ত্র শব্দটিও বিতর্কের জন্ম দেয় কারণ আমি তুমি সে কারোর প্রজা ছিলাম না আর নাই। বাংলাদেশে তো এখন আর রাজতন্ত্র নেই, আমাদের দেশ গনতান্ত্রিক দেশ তাহলে প্রজাতন্ত্রের প্রজা শব্দটা অগ্রহণযোগ্য শব্দ। আমরা শব্দের মারপ্যাঁচ চাই না আর আমরাও শব্দের মারপ্যাঁচ দিতে চাই না।

 

যাই হোক বা নাই হোক- ধর্ম নিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা এবং দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংক্ষিপ্ত পরিসরে আজকের এই লেখা, আশা করি সন্দেহ সংশয় দূর হবে এবং উত্তেজনা নিরসনে ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। যাই হোক আমি মূল কাভারিং ও ফোকাসে আসি তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে।

 

পৃথিবীর সকল ধর্মই স্বস্ব জায়গায় সম্মানের ও আরাধনা যোগ্য। পবিত্র কোরআন একটি বিশুদ্ধ কিতাব এবং বিজ্ঞান সম্মত বিশ্ব মানব সভ্যতার জীবন বিধান বা একটি সংবিধান। ইসলাম শান্তির ধর্ম। অশান্তি সৃষ্টি করা ইসলামের কাজ নয় বরং অশান্তি দূর করাই এর কাজ। হুদায়বিয়ার সন্ধি এর জ্বলন্ত প্রমাণ। ঠিক তেমনি অন্য ধর্মগুলোও অশান্তি চায় না, কোনও ধর্মই অন্যায়কে আশ্রয় প্রশ্রয় দেয় না। কেন আজ মানবজাতি দলে দলে বিভক্ত হয়ে থাকবে। ধর্ম তো একতার কথা বলে তাই না।

 

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনের পর বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৭২ এর সংবিধান ৮ম সংশোধণীর মাধ্যমে সংশোধন করে প্রেসিডেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্যই রাষ্ট্রের জন্য রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম করেছেন। যদি কোনও দেশে শতভাগ একই ধর্মের লোক বসবাস করে কেবল তখনই তাদের সেই ধর্মকে রাষ্ট্র ধর্ম করা যেতে পারে, এর আগে নয়। হয়তোবা অনেকেই ভিন্ন যুক্তি ও উদাহরণ দিতে পারেন কিন্তু তাহা সার্বজনীন নয়।

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি সংবিধান গ্রন্থ আছে, যে সংবিধানের আলোকে দেশ চলে- দেশের মানুষ চলে। সে সংবিধানের ভিতর কিছু গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক সংবিধান আছে, এর মধ্যে ধর্ম সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও ধারা উপধারা লিখিত আছে। তার ভিতর উল্লেখযোগ্য ধারাগুলো নিচে তুলে ধরা হলোঃ-

 

(০১) বাংলাদেশ সর্বশেষ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২(ক) তে স্পষ্ট করে বলা আছে যে, “প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম”। অতএব আইনের প্রতি সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকলে এটা মানতে হবে যতক্ষন এই ধারাটি সংশোধন করা না হয়। এই বিতর্কিত কাজটি করে গেছেন প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। কিন্তু যাদের বুদ্ধি পরামর্শে এই কাজ করেছেন সেই আক্কেল জ্ঞান সম্পূর্ণ সংবিধান প্রণেতাগণ এর ভিতর লুকায়িত পরবর্তী অনুচ্ছেদ এর ধারা উপধারা কি মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করেননি!

 

আসুন তাহলে দেখে নেই- পড়ে নেই- জেনে নেই এবং নিজে নিজে বুঝে নেই কি আছে পরবর্তী অনুচ্ছেদ সমূহে অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর সংবিধান বনাম এরশাদের সংবিধানে সামঞ্জস্য ও অসামঞ্জস্য বিষয়গুলোঃ-

 

তার আগে জেনে নেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ সংবিধানের সর্ব মূলনীতি কি হবে বা হতে পারে? কেন এই সংবিধান? কোন কোন বিষয়গুলো মাথায় রেখে আইন তৈরি করা হবে বা করতে হবে? সেটাই পরিস্কার করে বলেছে নিন্মলিখিত অনুচ্ছেদে।

 

(০২) সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৮ এর (১)। এখানে বলা হয়েছে যে, (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার) কথা। অর্থাৎ তাহলে সংবিধানের মূলনীতিতে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ রেখে, রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট কোনও ধর্ম থাকাটা বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতির পরিপন্থী কাজ এটাই বুঝা যাচ্ছে তাই নয় কি? এটা কিন্তু আমার কথা নয় উক্ত ধারা সমূহ বিশ্লেষণ করলে যা পাই সেটাই তুলে ধরার চেষ্টা করব।

 

(০৩) সংবিধানের অনুচ্ছেদ -১২(গ)-তে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্র কর্তৃক কোনও ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান, বিলোপ করা হইবে।

 

এখন সংবিধানেই যদি সাংঘর্ষিক ধারা উপধারা বা অনুচ্ছেদ থাকে তাহলে তৃতীয় পক্ষ তো সুবিধা নিবেই এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার নয় কি?

 

(০৪) সংবিধানের (অনুচ্ছেদ-২৬) এ বলা হয়েছেঃ- মৌলিক অধিকারের সহিত অসামাঞ্জস্য আইন বাতিল। অর্থাৎ যেহেতু রাষ্ট্রে আলাদা করে ধর্ম থাকাটা নিম্নোক্ত (অনুচ্ছেদ- ২৭, ২৮, এবং ৪১) অনুযায়ী মৌলিক অধিকার পরিপন্থী কাজ তাই উক্ত আইন বাতিল হওয়াই যৌক্তিক বা যুক্তিযুক্ত আর সময়ের উপযুক্ত দাবিও বটে।

 

তর্কের খাতিরে তর্ক নয় তাহলে চলুন জেনে নেই সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭, ২৮ এবং ৪১ এ কি আছে এবং কি বলা হয়েছেঃ-

 

(০৫) সংবিধানের (অনুচ্ছেদ-২৭) এ বলা হয়েছে- আইনের দৃষ্টিতে সমতা। অর্থাৎ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান।

 

এখন আপনারাই বলুন সমান হলো কিভাবে? লেখা এক, বলি এক, কাজে আরেক! যাহা খুবই আশ্চর্যের কথা।

 

(০৬) সংবিধানের (অনুচ্ছেদ-২৮) এ বলা হয়েছে- ধর্ম প্রভৃতির কারণে বৈষম্য করা যাবে না। অর্থাৎ রাষ্ট্রের কাছে সকল প্রকার ধর্মই সমান মর্যাদা পাবে এবং পাওয়ার দাবিদার বটে।

 

তাহলে কেন এতো বৈষম্য কেন এতো উত্তেজনা? আবার কেন করা হলো রীট আবার কেন রীট খারিজ হয়ে যায়? আসলে অধিকার আদায়ের জন্য আদালতে যাব এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাব এটাই স্বাভাবিক বিষয়।

 

(০৭) সংবিধানের (অনুচ্ছেদ-৪১) এ বলা হয়েছে- সকল ধর্মের মানুষের ধর্ম চর্চার সমান স্বাধীনতা থাকবে। অর্থাৎ একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে বা দেশে আলাদা করে কোনও প্রকার নির্দিষ্ট ধর্ম থাকা বা ইংগিত করা উপরোক্ত এই অনুচ্ছেদগুলোর সম্পূর্ণভাবে পরিপন্থী কাজ যা উচিৎ নয়।

 

একারণেই সংবিধান বিশেষজ্ঞরা প্রশ্ন করেন এবং সদুত্তর খুঁজেন, জনগণও এর বাহিরে নয় যাকে বলে আমজনতা। তবে আমি কিন্তু আম দুধের কথা বলছি না আর আটির গড়াগড়ির কথাও বলছি না।

 

পূর্বেই উল্লেখ্য করেছি, বলেছি এবং আলোচনা করেছি যে, সংবিধানের (অনুচ্ছেদ-২৬) এ বলা হয়েছে মৌলিক অধিকারের সহিত অসামাঞ্জস্য আইন বাতিল। অর্থাৎ যেহেতু রাষ্ট্রে বা দেশে আলাদা করে ধর্ম থাকাটা উপরিউক্ত (অনুচ্ছেদসমূহ- ২৭,২৮, এবং ৪১) অনুযায়ী মৌলিক অধিকার পরিপন্থী অতএব দেশের স্বার্থে ও জনগণের অধিকারের স্বার্থে সাংঘর্ষিক উক্ত আইন সমূহ বাতিল হওয়াই যৌক্তিক ও সময়ের উপযুক্ত দাবিও বটে।

 

আমি আবারও বলছি এবং বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ সর্বশেষ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২(ক) তে স্পষ্ট করে বলা আছে যে, “প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম” সেখানে আমি বা আপনি সংবিধানের বাহিরে বা সাংঘর্ষিক কথাবার্তা বলতে পারি না বিশেষ করে যারা দেশ পরিচালনায় নিয়োজিত। জনগণকেও আইন মানতে হবে, বুঝতে হবে। কারন উল্লেখিত অনুচ্ছেদ বাতিল করা অবধি আপনি বা আমি বলতে পারি না, আমি রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বিশ্বাস করি না বা মানি না। যদি তাই করি তাহলে সংবিধান অবিশ্বাস ও অবমাননা করা হবে। তবে হ্যাঁ আমরা এটা বলতে পারি এভাবে, এই ধারা উপধারা বা অনুচ্ছেদটি বা অনুচ্ছেদগুলো অহেতুক সংকট তৈরি করেছে বিধায় উক্ত অনুচ্ছেদ সংস্কার কিংবা বাতিল করা দরকার বা বাতিল করা যেতে পারে অথবা ২(ক) কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে অন্য ধারাগুলোর পরিবর্তন সাধন করতে হবে। আমাদের যে কোনও একটি কাজ করতে হবে আর তা হলো শাব্দিক বা আক্ষরিক বা অর্থগত বৈষম্য আগে দূর করা। এটা একটা আইনগত বিষয় আইনগত পদক্ষেপ।

 

একটি গভীর মূল্যায়ন ও চিন্তার বিষয় আর তা হলোঃ-

 

প্রেসিডেন্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যখন সংবিধান সংশোধন করে “রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম” এই নব্য আইন করেন তখন কিন্তু বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামিলীগ, বিরোধী দলীয় দল বিএনপি এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামী সহ প্রায় সকল দলই তথাকথিত রাষ্ট্র ধর্মের বিরোধিতা করেছিলেন, আন্দোলন করেছিলেন, প্রতিবাদ সহ জাতীয় পত্র পত্রিকা ও মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়েছিলেন তাহা নিম্নরূপভাবে উপস্থাপন করা হলোঃ-

.

(ক) সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তৎকালে বলেছিলেন, “ধর্মের নামে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা”।

 

(খ) বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, “সংবিধানের সংশোধনী জাতি মানিবে না”।

 

(গ) জামায়াতে ইসলামি বলেছিল, ” ইসলামী আন্দোলন প্রতিহত করাই রাষ্ট্রধর্মের উদ্দেশ্য”।

 

এখন তো আর স্বৈরশাসক এরশাদ নেই তাহলে সেই বিতর্কিত ধর্ম ও বর্ণবাদী ধারাটি পরিবর্তন করা হলো না কেন? যদি ধারাটি বাদ দিতেই হয় তাহলে ইসলামকে অহেতুক বিতর্কিত করার জন্য এরশাদের মরনোত্তর বিচার হওয়া উচিৎ। ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি নষ্টের মূলেই এরশাদ। আর যদি মনে করেন ইসলাম থাকবে তাহলে অন্য ধারাগুলোর সংশোধন অতীব দরকার। তা না হলে এভাবে যুগের পর যুগ ধরে তর্ক বিতর্ক, উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড দূর হবে না।

 

বর্তমানে যা হচ্ছে তা কোনও মানুষ করতে পারে না, প্রকৃত পক্ষে যারা ধার্মিক তথা একজন মুসলমানের পক্ষেও সম্ভব নয় এবং প্রকৃত পক্ষে একজন সনাতন হিন্দুর পক্ষেও সম্ভব নয় যদি সে ধর্মকর্ম মনেপ্রাণে পালন করে থাকেন। এককথায় বলতে পারি- এটা হলো অমানুষের কাজ। হতে পারে কেউ বা রাজনৈতিক আর অরাজনৈতিক আন্দোলনকে পুজি করে অন্য কোনও সুবিধা নিতে চায়! হতে পারে তৃতীয় পক্ষের কাজ! হতে পারে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ ও পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের আয়োজন বা নোংরা হাতিয়ার প্রদর্শন। প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে আমাদের ভাবমূর্তি নষ্টের পায়তারা। তাই রাষ্ট্রকে সজাগ থাকতে হবে। জাতিকে সজাগ থাকতে হবে। কারা করছে এসব? কারা জড়িত? কেন জড়িত? কি উদ্দেশ্য? যদিও বা আমরা সবাই কমবেশি জানি তবুও সেগুলো তদন্ত পূর্বক কারণ উদঘাটন করে মূল হোতাদের এবং জড়িতদের কঠিন ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করাই বর্তমান রাষ্ট্রের একমাত্র কাজ।

 

অতএব পরিশেষে আমি একটি কথা বলতে চাই- মানুষ আর মানবতার উপর বড় ধর্ম এ জগতে নাই। আমি ৭২ বা ৭৩ বুঝি না, আমি এরশাদের সংবিধানও বুঝি না, ৮ম সংশোধণী বুঝি না, আমি বুঝি বর্তমানে সময়োপযোগী, যুগোপযোগী আর দেশ ও দশের কথা চিন্তা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নতুন করে একটি সুন্দর গ্রহনযোগ্য সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে বা করা যেতে পারে। এটা আমার প্রস্তাব, এর জন্য সবার একান্তই সহযোগিতা দরকার। হাতে হাত রেখে- কাঁধে কাঁধ রেখে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং দেশকে, দেশের মানুষকে এবং ধর্মসমূহকে অযথা অহেতুক বহুমাত্রিক জটিলতায় না ফেলে দেশকে ও জাতিকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারকে সাহায্য করাই হবে আমাদের একমাত্র কাজ কারণ এই দেশটা আমাদের সবার অতএব রুক্ষে দাও ধর্মান্ধতা রুখে দাও দেশ বিরোধী চক্রের সকল অপপ্রয়াস, সকল অপপ্রচার ও হিংসা বিদ্বেষ। আমরা মানবজাতি- আমরা একত্রে শান্তিতে বসবাস করতে চাই। সহবস্থান চাই।

     এ বিভাগের আরো সংবাদ
Share via
Copy link
Powered by Social Snap