ইসরাইল এবং ইরান যুদ্ধ

শামীম আহমেদ

ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যকার যুদ্ধে আমেরিকান অন্তর্ভুক্তি একটি বিরাট  সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকটা গলার কাঁটার মতো। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম ইসরাইলকে না পারছেন গিলতে না পারছেন ফেলতে। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি উভয় সংকটে রয়েছেন। ইরানের উপর ইসরাইলের আক্রমণের শুরু থেকেই আমেরিকান নাগরিকরা এই যুদ্ধের বিরোধিতা করে আসছিল এবং আমেরিকানদের অন্তর্ভুক্তির বিরোধীতা করছিল। অন্যদিকে ইরান, ইসরাইলি এবং আমেরিকান আক্রমণের পর আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা আই এ ই এ সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। এমনকি তাদের কর্মীদের নিজ দেশ ত্যাগ করার জন্যে বাধ্য করেছেন।

সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসানোর জন্যে কূটনৈতিক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলছেন, ইরানের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের উচিত তাদের অর্থনীতিতে মনোযোগী হওয়া। ইরানের উপর থেকে উপযুক্ত সময়ে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গতকাল গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম এসব কথা বলেন।

অপরদিকে ইরানও আলোচনার টেবিলে ফেরার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ইরানি একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন,তিনি বলেন, ইরান আলোচনার টেবিলেই ছিলেন কিন্তু আলোচনা চলার সময় ইসরাইলের উগ্রবাদী আচরণ বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আবারও আলোচনার মাঝখানে ইসরাইলের আক্রমণের  আশঙ্কা প্রকাশ করেন। আক্রমণ পাল্টাআক্রমণ, ভয় ভীতির মাঝে আলোচনা চলতে পারে না। সেই সাথে তিনি আরো বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চাইলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব এবং ইরানি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের এবং তার মিত্র দেশের মৃত্যু কামনার আলোচনা করেন। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বনামধন্য মুক্ত সাংবাদিক মেহেদীর প্রোগ্রামে তিনি এসব কথা বলে।

     এ বিভাগের আরো সংবাদ