মরা নদীর জল

মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু

নদীর দুটি বহু সমেত তীরবর্তী পাড় –
কর্তন করে ঘাতক,
তোর বক্ষ হলো উজাড়,

বাংলায় থাকবে না আর –
সাহিত্যের কোনো মাজার।

কোথায় নদ ?
বাঘিনীর গঙ্গা –
প্রবাহিণীর
নইয়ের বুকে নির্লজ্জ চপেটাঘাত।

ত্তঘের জলপ্লাবনহীন শুস্ক ক্রন্দন।
ব্যথিত বেদনের
নীরব সরোবর,

হায়নার দল
নদীকে করে ক্ষতবিক্ষত
বাংলাকে করে অরক্ষিত।

পুষ্করিণীর বিষাক্ত জল –
কোথায় রাখি বল ?

ওহে মৃত নদী –
লেখার জায়গা পাইতাম যদি,
চারণগীতি কাব্যের শিল্পীর আকাশে
আমি হতেম বিশ্বব্রহ্মান্ডের কবি।

হে মরা নদীর জল,
ছন্দ পতনের ইতিহাস –
চারিদিকে হতাশ।

কলমের নয়ন জলে
নিষ্ঠুর কাঁজল কালিতে
তুমি আমি একাকার।

NB : নই-নদী কাব্যগ্রন্থের পাণ্ডুলিপি ‘র খন্ডিতাংশের ক্রন্দন

মরা নদীর জল

– মুহাম্মদ শামসুল হক বাবু

নদীর দুটি বহু সমেত তীরবর্তী পাড় –
কর্তন করে ঘাতক,
তোর বক্ষ হলো উজাড়,

বাংলায় থাকবে না আর –
সাহিত্যের কোনো মাজার।

কোথায় নদ ?
বাঘিনীর গঙ্গা –
প্রবাহিণীর আপগা,
নইয়ের বুকে নির্লজ্জ চপেটাঘাত।

ত্তঘের জলপ্লাবনহীন শুস্ক ক্রন্দন।
ব্যথিত বেদনের
নীরব সরোবর,

হায়নার দল
নদীকে করে ক্ষতবিক্ষত
বাংলাকে করে অরক্ষিত।

পুষ্করিণীর বিষাক্ত জল –
কোথায় রাখি বল ?

ওহে মৃত নদী –
লেখার জায়গা পাইতাম যদি,
চারণগীতি কাব্যের শিল্পীর আকাশে
আমি হতেম বিশ্বব্রহ্মান্ডের কবি।

হে মরা নদীর জল,
ছন্দ পতনের ইতিহাস –
চারিদিকে হতাশ।

কলমের নয়ন জলে
নিষ্ঠুর কাঁজল কালিতে
তুমি আমি একাকার।