রেকডের বলে জমি ক্রয় করে প্রকৃত জমির মালিকদের হয়রানী করছে আব্দুল মজিদ

সোহেল রানা, পাবনা প্রতিনিধিঃ

পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের পূর্বচরতারাপুর মৌজায় আরএস ২৪০, খতিয়ান ভুক্ত আরএস ৫৬০ নং দাগের ০.৪৫ একর ও ৫৬১ নং দাগের ০.৯৮ একর কাত ০.৯১ একর একুনে ১.৩৬ একর সম্পিত্তি আব্দুল মজিদ দীঘি গোয়াইল বাড়ির জয়নুদ্দিন এর কাছ থেকে রেকড ভিত্তিক জমি ক্রয় করে।

কিন্তু জমির প্রকৃত মালিক হোসেন শেখ, রহমান শেখ, আফাজ উদ্দিন শেখ, ফয়েজ উদ্দিন শেখ বর্তমানে তারা এবং তার ওয়ারিশগণ জমির ভোগ দখল করে আসছে।

কিন্তু আব্দুল মজিদ তার ছেলে ফজলে রাব্বি নিরব এনডিসি, এসআই সাইফুল ও এডওয়ার্ড কলেজের প্রভাষক সৌরবের প্রভাবে দীর্ঘদিন যাবত জমির প্রকৃত মালিকদের হয়রানী করে, মামলা মকদ্দমা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম টুটুল ইউনিয়ন পরিষদে বেশ কয়েক বার শালিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষকে আপষ করা চেষ্টা করে কিন্তু আব্দুল মজিদ তা মেনে নেয়নি।

আব্দুল মজিদ এলাকার জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের শালিস ডেকে অপনাম করছে। আব্দুল মজিদ প্রকৃত দলিল না দেখিয়ে পিটিশন দলিলের মাধ্যমে জমির মালিকদের দীর্ঘ দুই বছর যাবত হয়রানী করে যাচ্ছে।

এমতাবস্থায় বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা ভুমি অফিস সহকারী কমিশনার ভুমি রোকসানা মিতা সরেজমিনে গিয়ে জমির প্রকৃত মালিকদের জমি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য যায়।

এতে আব্দুল মজিদ কোন কর্নপাত করেনি। পরবর্তীতে রোকসানা মিতা সরেজমিনে না গিয়েই গত ১২ সেপ্টেম্বর উক্ত জমি পতিত হিসেবে তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করে।

আসলে বর্তমানে জমির মালিকরা জমিতে ধান ও কালাই আবাদ করছে। জমি পরিত্যাক্ত নয়। কিন্তু রিপোর্টে বলা হয় জমি পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

বর্তমানে জমির প্রকৃত মালিকের ওয়ারিশরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছে তাদের প্রকৃত দলিল দেখে তাদের জমি বুঝিয়ে দেয়ার জন্য।