আশুলিয়ায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বিরুদ্ধে নথি না দেখেই ইচ্ছামত খাজনা আদায়ের অভিযোগ।

খোরশেদ আলম সাভারঃ প্রতিনিধি
আশুলিয়ায় ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় না এ অফিসে। ওই ভূমি কর্মকর্তা নামজারি, খাজনা ও খারিজের রশিদ দেয়ার ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে শতগুণ বেশি টাকা আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে ভূমি কর্মকর্তা অস্বীকার করেছেন।
ভূক্তভোগী এসএম মিন্টু বলেন, আমি গত দুইদিন ধরে উনার নিকট ঘুড়াঘুড়ি করেও আমার খাজনা দিতে পারছি না। কারণ তিনি আমার নিকট বারবার গত ৪৮ বছরের খাজনা দাবি করছেন। ওই ভূমি কর্মকর্তাকে অনেকবার বলেছি স্যার আমিতো সম্প্রতি এই জায়গাটা ক্রয় করেছি। তাহলে আমি কেন গত ৪৮ বছরের খাজনা দিবো। আপনি ভালো করে চেক করে দেখেন কত বছরের খাজনা দিতে হবে। তাও তিনি আমার কাছে ৪৮ বছরের খাজনা চেয়ে একটি লাল নোটিশ ধরিয়ে দেন এবং আমাকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে ৪৮ বছরের খাজনা দিতে হবে।
তিনি আরো জানান, আমি এ বিষয়টি আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শামিম ভাইকে জানাই। শামিম ভাই ভূমি অফিসে এসে কেন ৪৮ বছরের খাজনা দিতে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার একটু দেখতে হবে। পরে তিনি মাত্র ১৭ বছরে আমার খাজনা সম্পূর্ণ করেদেন।
এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সভাপতি এসএ শামিম বলেন, আমি এমন লাল নোটিশ দেখে অবাক হয়ে ভূমি অফিসে ছূটে আসি। পরে তাকে জিজ্ঞাসা করি কেন ৪৮ বছরের খাজনা দিতে হবে। পরে তিনি জানান আসলে এখানে বই নাইতো তাই বলেছি। এই বলে তিনি এই ঘটনাটি এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে তিনি অফিস কক্ষ হতে বই বের করে ১৭ বছরের খাজনা গ্রহন করেন। বইয়ের কথা জানতে চাইলে তিনি জানান আমি এই বইয়ের কথা বলিনি।
অন্যদিকে ইউসুফ আলী নামের এক ভূক্তভোগী বলেন, আমি খারিজ করতে আসলে আমার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। যে খারিজে সবর্চ্চ খরচ হওয়ার কথা মাত্র ১৫শত টাকা। অথেচ তিনি আমার খারিজ করতে ২০ হাজার টাকা লাগবে বলে দিনের পরদিন ঘুড়াতে থাকে ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ওই ভুমি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি কোনো অতিরিক্ত টাকা দাবি করিনি।